ক্ষ

ক্ষীরা

ক্ষীরা, (আঞ্চ.) ক্ষীরই [ kṣīrā, kṣīri ] বি. ১. শশাজাতীয় ফলবিশেষ; ২. শশা। [সং. ক্ষীরিকা]।
ক্ষ

ক্ষীরসাগর

ক্ষীরসাগর, ক্ষীরসমুদ্র–বি. নারায়ণের অনন্তশয্যারূপে বর্ণিত সমুদ্র, পুরাণোক্ত সপ্তসাগরের অন্যতম।
ক্ষ

ক্ষীরসমুদ্র

ক্ষীরসমুদ্র, ক্ষীরসাগর–বি. নারায়ণের অনন্তশয্যারূপে বর্ণিত সমুদ্র, পুরাণোক্ত সপ্তসাগরের অন্যতম।
ক্ষ

ক্ষীরমোহন

ক্ষীরমোহন–বি. ক্ষীর ও ছানার তৈরি চ্যাপটা আকারের রসপূর্ণ মিষ্টান্নবিশেষ।
ক্ষ

ক্ষীরদ্রূম

ক্ষীরদ্রূম–বি. যে বৃক্ষ থেকে ক্ষীর নিঃসৃত হয়-যথা বট, অশ্বত্থ, ডুমুর, মহুয়া।
ক্ষ

ক্ষীর

ক্ষীর [ kṣīra ] বি. ১. দুধ (গো-ক্ষীর); ২. রস, নির্যাস বা আঠা; ৩. জ্বাল দিয়ে ঘন-করা দুধ, মিষ্টান্নবিশেষ। [সং. √ ঘস্ (খাওয়া) + ঈর, ঘস্ =ক্ষ্]। ক্ষীরদ্রূম–বি. যে বৃক্ষ থেকে ক্ষীর নিঃসৃত হয়-যথা বট, অশ্বত্থ, ডুমুর, মহুয়া। ক্ষীরমোহন–বি. ক্ষীর ও ছানার তৈরি চ্যাপটা আকারের রসপূর্ণ মিষ্টান্নবিশেষ। ক্ষীরসমুদ্র, ক্ষীরসাগর–বি. নারায়ণের অনন্তশয্যারূপে বর্ণিত সমুদ্র, পুরাণোক্ত সপ্তসাগরের অন্যতম।
ক্ষ

ক্ষীয়মাণ

ক্ষীয়মাণ [ kṣīẏa-māṇa ] বিণ. ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে এমন (ক্ষীয়মাণ ঐশ্বর্য, ক্ষীয়মাণ যৌবন)। [সং. √ ক্ষি + য + মান (শানচ্)]।
ক্ষ

ক্ষীণ

ক্ষীণ [ kṣīṇa ] বিণ. ১. ক্ষয়প্রাপ্ত, ক্ষয়িত (ক্ষীণচন্দ্র); ২. শীর্ণ, কৃশ, রোগা (ক্ষীণকায়); ৩. সরু (ক্ষীণমধ্যা, ক্ষীণকটি); ৪. অত্যল্প, মৃদু; অস্পষ্ট (ক্ষীণ আভাস, ক্ষীণালোক); ৫. দুর্বল (ক্ষীণদৃষ্টি)। [সং. √ ক্ষি + ত]। স্ত্রী. ক্ষীণা। বি. ক্ষীণতা। ক্ষীণচন্দ্র–বি. ক্ষয়প্রাপ্ত অর্থাত্ কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ। ক্ষীণজীবী (-বিন্)–অল্পপ্রাণ, দুর্বল, জীবনীশক্তিবিহীন। ক্ষীণশ্বাস–বিণ. মুমূর্ষু, যার শ্বাস খুব ক্ষীণ হয়ে এসেছে। ক্ষীণায়ু–বিণ. অল্পায়ু। ক্ষীণালোক–বি. অস্পষ্ট বা মৃদু আলো।